আমাদের দেশে শিক্ষার কদর আছে। অনেকেই দেশকে সমৃদ্ধিশালী করায় শিক্ষার অবদান প্রথম বলে মনে করেন। শহরের নিম্নবিত্ত থেকে গ্রামাঞ্চলের প্রত্যন্ত স্থানগুলোর মানুষও তাঁদের সন্তানদের শিক্ষিত করার প্রয়াস পান।

বাংলাদেশে শিক্ষায় উৎসাহিত করার জন্য নানা পর্যায়ে নানা ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকমের কার্যক্রম ও কর্মসূচি রয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ে বৃত্তির ব্যবস্থা রয়েছে। কোথাও কোথাও শিক্ষার্থীদের টিফিন ও খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়। মেধাস্থান লাভ করলে পুরস্কৃত করা হয়। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়া হয়।
পড়াশোনা শেষে কর্মজীবনের শুরুতে অনেকেরই স্বপ্ন থাকে সরকারি চাকরি করার। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন হয় স্থায়ী ঠিকানার। বিদেশ গমনের জন্য পাসপোর্ট তৈরিসহ আরও অনেক কাজেই পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য স্থায়ী ঠিকানার প্রয়োজন হয়।
আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষের স্থায়ী ঠিকানা নেই। কারও স্থায়ী ঠিকানা চলে যায় নদীভাঙনে, কেউবা জন্মগতভাবেই হয় এতিম, হয় উদ্বাস্তু। শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। কিন্তু শিক্ষাজীবন শেষে স্থায়ী ঠিকানার অভাবে সে মানুষটি তাঁর স্বপ্নের সরকারি চাকরিটি পান না, তখন তাঁর কাছে নিজেকেই মেরুদণ্ডহীন বলে মনে হয়। স্থায়ী ঠিকানার ক্ষেত্রটি শিথিল করে মেধার দিকটি বিবেচনা করলে সরকার অনেক যোগ্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী পাবে বলে আশা করি।
কামরুন নাহার
যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

বিজ্ঞাপন
চিঠি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন