গত বছরের ১৫ মে থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত তিন ধাপে সারা দেশে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কমপক্ষে ১৮ বছর বয়স্ক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি, ভুল সংশোধন, ভোটারদের এলাকা স্থানান্তর ও মৃত ব্যক্তিদের নাম ভোটার তালিকা থেকে কর্তন—এ চার ধরনের তথ্য সংগ্রহ করতে ইসি নির্দেশ দেয়।

বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্যসংশ্লিষ্ট কাজের বিধান থাকলেও তথ্য সংগ্রহকারীরা এর তোয়াক্কাই করেননি। পাড়া-মহল্লার প্রভাবশালী ও পরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে ঘরে বা স্থানীয় বিদ্যালয়ে বসে পরিচিতজনদের নাম তালিকাভুক্ত করেন। বিষয়টিতে কোনো প্রচারণাও চালানো হয়নি। পর্যাপ্ত প্রচারণার অভাবে নির্ধারিত সময়ে ভোটার হতে পারেননি অসংখ্য তরুণ-তরুণী। ঘর বা স্থানীয় বিদ্যালয়ে বসে যে নামগুলো তালিকাভুক্ত করা হয়, এগুলোর মধ্যেও রয়েছে ভুল তথ্যের ছড়াছড়ি।

শতভাগ অন্তর্ভুক্তি আসেনি নতুনদের, সংশোধন হয়নি ভুলের, নাম ওঠেনি স্থানান্তরিত ব্যক্তিদের, কর্তন করা হয়নি মৃত ব্যক্তিদের নামও। ফলে ভোগান্তি থেকে নিস্তার মেলেনি তাঁদেরও। সারা দেশের মতো আমার ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া চারজনসহ ১১ জন শিক্ষিত তরুণ-তরুণী। ফলে তাঁদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ইসির বিধি মোতাবেক প্রচারণার দায়িত্বটি সর্বশেষ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের ওপর ন্যস্ত থাকে। তাঁর এহেন অবহেলা ও কর্তব্যজ্ঞানহীনতার জন্য সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে।

আবুল খায়ের, সাংবাদিক।

বিজ্ঞাপন
চিঠি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন