বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের মতো যেকোনো দেশের উন্নয়নের প্রক্রিয়ায় অবদান রাখার মতো বহুমাত্রিক ক্ষমতা রয়েছে সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারের। এখানকার পর্যটনশিল্প কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করছে।

কক্সবাজার নগরীতে গড়ে উঠেছে বিপুলসংখ্যক হোটেল, রিসোর্ট, গেস্টহাউস, মোটেল ও রেস্টুরেন্ট। গড়ে উঠেছে অনেক আন্তর্জাতিক মানের তিন থেকে পাঁচ তারকা হোটেল, রিসোর্ট; যা পর্যটকদের জন্য আনুষঙ্গিক সুবিধাসহ সরাসরি সমুদ্রসৈকত দেখার সুযোগ। এটি সাঁতার কাটা, হাঁটা এবং সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত পর্যবেক্ষণ করার জন্য একটি অত্যাশ্চর্য ও সুন্দর জায়গা। পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও পর্যটকদের জন্য এবং আশ্চর্যজনক ও মনোরম প্রকৃতিকে উপভোগ করার জন্য এটি একটি চমৎকার সৈকত; যা বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক বালুর সৈকতগুলোর মধ্যে একটি। কক্সবাজারে সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলার উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সুদূর প্রভাব পড়বে পর্যটনশিল্পে। যেমনটি হয়েছিল ভারতে।

বাংলাদেশের কক্সবাজারে পর্যটনের অভিজ্ঞতাকে অবশ্যই ভ্রমণকারীর ইচ্ছার সঙ্গে অনুরণিত হতে হবে, ভ্রমণকারী দ্বারা অনুপ্রাণিত হতে প্রয়োজন খাঁটি পর্যটন অভিজ্ঞতা, যা অন্য কোথাও পাওয়া যাবে না। শিল্প হিসেবে পর্যটন বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ, সেটিকে এগিয়ে নিতে এ অঞ্চলে অপরাধের হার শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসতে হবে। কক্সবাজারে পর্যটনশিল্পকে ত্বরান্বিত করতে অনুকূল অর্থনৈতিক বাহ্যিকতা ছাড়াও জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। তা না হলে এ উদীয়মান শিল্প বিপর্যস্ত হবে।

দেলোয়ার জাহিদ রিসার্চ ফ্যাকাল্টির সাবেক সদস্য, ইউনিভার্সিটি অব ম্যানিটোবা, কানাডা; বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কানাডা ইউনিট কমান্ড নির্বাহী।

চিঠি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন