এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ঘটনা বেশ পুরাতন। ইতিপূর্বে প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটকের কৃষ্ণচূড়া গাছ ছিল। সঠিক পরিচর্যায় আজ সে মৃত্যুবরণ করে বিলীন হয়েছে। তখন তার বন্ধু এই ঝাউগাছগুলো বেঁচে ছিল। নয়নাভিরাম থেকে আস্তে আস্তে মরীচিকাময় হয়ে পড়ল। এপ্রিল মাসের শেষ দশকে প্রাণের সবটা হারিয়ে যায় অপরূপ গাছগুলো।
মৃত্যুবরণ করা বৃক্ষগুলোর হৃদয়ের রক্তক্ষরণ হয়েছে বলে অনেক শিক্ষার্থী মনে করেন।

default-image

জায়গাগুলো তাদের স্মৃতিময় চত্বর হিসেবে গাঁথা। প্রচণ্ড রোদে এর নিচেই বসে অনেকে প্রশান্তি অনুভব করত। অনেকে প্রিয়জনদের সাথে ছোট্ট ছোট্ট মায়াময় চিরকুট আদান প্রদান করত এই চত্বরে বসে। ভ্রমণে আসা ভ্রমণপিপাসুদের আলোকচিত্র তোলার জায়গা ছিল ঝাউগাছগুলো। এখন বৃক্ষগুলো ‌যত্ন নিয়ে সুস্থ করে তোলায় সকলের দাবি অন্যথায় অবধারিত ক্ষতিময় বৃক্ষগুলোর স্থানে একাধিক চারা রোপণ করা হোক।
বৃক্ষগুলো প্রায় ৩৫ বছরের পুরোনো বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃক্ষরোপণ কমিটির অনেকের ধারণা। শুধু যে পরিচর্যা তা না, বরং বয়সের কারণে এমন পরিণতি।

সেসময়ের অনেক গাছ এখনো বেঁচে আছে তাই এই ধারণা কর্মকর্তাদের। বিষয়গুলো বারবার উপর মহল নিস্তব্ধ কানে শুনেছে। কোনো পদক্ষেপ এখনো গ্রহণ করেনি।
অচিরেই নতুন চারা লাগিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি প্রান্তে সবুজ অরণ্য ও নান্দনিক সৌন্দর্য ফিরেয়ে আনার দাবি করেছেন ভূতত্ত্ব অফিসের ভারপ্রাপ্ত প্রধান। নয়নাভিরাম বৈচিত্র্য দ্রুত আবারও শিক্ষার্থীরা দেখতে পারবেন। চারা রোপণের সময় মরা বৃক্ষগুলো কর্তন করা হবে। সেই অপেক্ষা এখন।

রানা আহম্মেদ অভি
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

চিঠি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন