ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি চ্যানেলগুলো নিত্যনতুন অনুষ্ঠানের পসরা  সাজিয়েছিল। সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানে নাটকের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি। একসময় টিভি–দর্শকের কাছে সবচেয়ে প্রিয় ছিল বিটিভির বিশেষ নাটক আর আনন্দমেলা। অবশ্য তখন বিটিভি ছাড়া অন্য চ্যানেল ছিল না। বিটিভিতে তখন অনেক ভালো নাটক প্রচারিত হয়েছে। প্রচারিত হয়েছে কালজয়ী সব অনুষ্ঠান।

বিটিভি থেকে কেন দর্শক মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল, সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে অনেক গভীরে যেতে হবে। তবে আশার কথা, বিটিভি আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। আর এই ঘুরে দাঁড়ানোর মূল কারণ হচ্ছে, বিনোদনের খোরাক দিতে এখন বিটিভি প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। গেল ঈদের অনুষ্ঠানমালা তার স্বাক্ষর বহন করে। ঈদুল ফিতরে বিটিভি যেমন দর্শকদের বিমুখ করেনি, তেমনি এবার কোরবানির ঈদেও দর্শকদের টানতে পেরেছে। বিটিভি এবার পরপর দুই দিন দেশের কিংবদন্তি দুই শিল্পীকে দর্শকদের সামনে উপস্থিত করতে পেরেছে। তাঁরা হলেন রুনা লায়লা ও সাবিনা ইয়াসমীন।

বিটিভি তাদের অনুষ্ঠানমালায় বেশ কিছু বৈচিত্র্য এনেছে। এরই মধ্য দিয়ে বিটিভি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বলে মনে করছে দর্শকমহল। এই ধারা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ একটু যত্নবান হলেই বিটিভি অন্য যেকোনো চ্যানেলের দর্শক টেনে আনতে সক্ষম হবে। সেটা হলে মানুষ খবর ছাড়া বিনোদনের জন্য বিটিভির দ্বারস্থ হবে। কারণ, বেসরকারি চ্যানেলের নাটক বা অনুষ্ঠান মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারছে না। খবরের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক চাপ থাকলেও অনুষ্ঠানের ওপর তো সেটা নেই!

মেনহাজুল ইসলাম, দিনাজপুর।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0