বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে ভালো কথা, তাই বলে ভেরিফিকেশনের নামে নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করার কোনো মানে হয় না! সুপারিশপ্রাপ্তদের ধারণা ছিল মুজিববর্ষ ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই চূড়ান্ত নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে। কিন্তু তা তো হলোই না বরং ২০২২ সালের সম্ভাব্য ঠিক কোন সময় চূড়ান্ত নিয়োগের সুপারিশ করা হবে এনটিআরসিএ থেকে তাও বলা হচ্ছে না।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমনিতেই গত তিন বছর ধরে শিক্ষক নিয়োগ না হওয়ায় শিক্ষক স্বল্পতার কারণে পাঠদান প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েও নিয়োগ না পাওয়ায় অনিশ্চয়তা ও হতাশায় দিন পার করছেন সুপারিশপ্রাপ্তরা। করোনা মহামারি এমনিতেই বেকার তরুণদের জীবনে মহাসংকট বয়ে এনেছে। নিয়োগ পাওয়া অনেকেই ধারদেনা করে লটারির মতো আবেদন প্রক্রিয়ায় (যত খুশি তত আবেদন) অংশগ্রহণ করেছিল। আবার চাকরিপ্রত্যাশীদের অনেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতো তারাও দ্রুত নিয়োগের আশায় সে চাকরিও ছেড়ে দিয়ে বসে আছে। তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া যত দেরি হবে আসন্ন চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি ততই পিছিয়ে যাবে। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিক্ষক স্বল্পতায় ভুগতে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

মূলত ভেরিফিকেশন কয়েক ধাপে সম্পন্ন হচ্ছে। তাই প্রথম ধাপে ভেরিফিকেশন সম্পন্নকারীদের প্রথমেই সুপারিশ করা যেতে পারে। এভাবে ধাপে ধাপে পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্নকারীদের ধাপে ধাপে চূড়ান্ত সুপারিশ করা যেতে পারে। কেননা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যারা পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম জমা দেননি তাদের কথা ভেবে সময়ক্ষেপণ করা মানে অন্যদের প্রতি অবিচার করা ও নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করা। মোটকথা, বিষয়টির নিষ্পত্তির জন্য কর্তৃপক্ষকে আরও তৎপর হওয়া উচিত।

যাই হোক, সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষ করে চাকরিপ্রত্যাশীদের চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হোক।

সাধন সরকার
একজন চাকরিপ্রত্যাশী
সূত্রাপুর, ঢাকা-১১০০

চিঠি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন