বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

একাদশ সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী মাহমুদুস সামাদ চৌধুরী পেয়েছিলেন ১ লাখ ৭০ হাজার ৫০৭ ভোট। এখন নৌকার প্রার্থী হাবিব পেলেন ৯০ হাজার ৬৪ ভোট। তাহলে ৮০ হাজার ৪৪৩ ভোটার গেলেন কোথায়? প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে প্রতিটি ভোটকেন্দ্র ছিল নিষ্প্রাণ। বিভিন্ন কেন্দ্রে ঘুরে যখন ছবি তুলছিলাম, তখন মনে হচ্ছিল নির্বাচন কমিশনের এত আয়োজনের সুফল কোথায়? যে নির্বাচনে লোকজন ভোটই দিতে এল না, সেখানে এত নিরাপত্তা আর কথিত ডামাডোলের কারণই–বা কী?

অতীতে ভোট নামের বিষয়টির প্রতি আগ্রহের কমতি ছিল না সাধারণ মানুষের। বঞ্চিত মানুষ কয়েক বছর পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করে একধরনের তৃপ্তি পেত। কারণ ভোট দিয়ে ‘অধিকার আদায়’ বলে যে বিষয়টি আছে, সেটি জনগণ আদায় করত। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেটি এখন অতীত। নির্বাচন পর্যবেক্ষণে একটি বিষয় পরিষ্কার—ভোটের প্রতি মানুষ আজ অনেকটাই আস্থাহীন। এ আস্থাহীনতার তালিকায় খোদ আওয়ামী লীগও আছে। কারণ আওয়ামী লীগ বরাবরই বলে, সারা দেশে তাদের গণজোয়ার বইছে। সেই জোয়ারের কিছুই তো সিলেট-৩ আসনের নির্বাচনে দেখলাম না। ভোটব্যবস্থার প্রতি পুরো আস্থাই কি ঘুচে গেল?

নির্বাচনব্যবস্থা যেভাবে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে, তাতে দায় এড়াতে পারে না ক্ষমতাসীন দল। ফলে নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব এ সরকারকেই নিতে হবে। ভোটের উৎসবে সাধারণ মানুষকে অংশীদার করতে হবে।

মো. কামরুল ইসলাম
গণমাধ্যমকর্মী, সিলেট

চিঠি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন