পত্রলেখক একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘পুলভুক্ত’ শিক্ষক। তিনি ২০১১ সালে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ না হয়ে ‘পুলভুক্ত’ শিক্ষকের তালিকায় উত্তীর্ণ হন। কথা ছিল, পরবর্তীকালে তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হবে। ওই নিয়োগে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের মতো যাবতীয় কাজ একই নিয়মে সম্পন্ন হয়। অথচ তাঁরা এখনো স্থায়ীভাবে নিয়োগ পাননি। এ বছর কিছু শিক্ষককে পর্যায়ক্রমে অস্থায়ীভাবে শর্ত সাপেক্ষে নিয়োগ দেওয়া হয়। পত্রলেখক তাঁদের একজন। 
এ নিয়োগের উল্লেখযোগ্য শর্ত হলো, একজন শিক্ষকের মাসিক বেতন ছয় হাজার টাকা এবং চাকরি কোনো দিন স্থায়ী হবে না। যে প্রতিষ্ঠানে একজন নৈশপ্রহরীর বেতন মাসিক ৮ হাজার ৫০০ টাকা, সেখানে একজন স্নাতক বা তদূর্ধ্ব ডিগ্রিধারী শিক্ষকের বেতন রোজ হিসেবে মাত্র ২০০ টাকা। এই অল্প টাকায় একজন শিক্ষক কীভাবে তাঁর পরিবারের ভরণপোষণ জোগাবেন এবং কীভাবে তাঁর কর্তব্যকর্মে মনোনিবেশ করবেন। তাঁর ভবিষ্যতই বা কী!
এ কারণেই দেখি, পত্রলেখকের বিদ্যালয়ের সহকর্মীরা তাঁকে নিয়ে কানাকানি করেন, নৈশপ্রহরী তঁাকে দেখে হাসেন। এদিকে পত্রলেখকের চাকরিতে প্রবেশের বয়স ইতিমধ্যেই পার হয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
সোহাগ সরকার
সুনামগঞ্জ।

বিজ্ঞাপন
চিঠি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন