মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, কত সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে বলা যাবে না। জনতার ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে এ সরকারকে রুখতে হবে। আজ শুধু সাংবাদিক নয়, শিক্ষকদের ওপরও নির্যাতন শুরু হয়েছে।

দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের কথা উল্লেখ করে মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘কত উৎসব আয়োজন করা হয়েছিল। বিদ্যুৎ উৎপাদন, কোটি টাকার ভর্তুকি। কিন্তু এখন কী হারে লোডশেডিং হচ্ছে, সবাই দেখছে। আপনাদের (আওয়ামী লীগের) ক্ষমতায় থাকার আর অধিকার নেই।’

রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ জনপ্রিয়তা হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেন মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন চলছে। আওয়ামী লীগ একসময় বড় দল ছিল, জনপ্রিয় ছিল। আজ নেই। এটা তাদের রাজনৈতিক পরাজয়। আমাদের বিজয়।’

মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বলছে বিএনপিকে বোঝান, যেন নির্বাচনে আসে। আমরা এ সরকারের অধীন নির্বাচনে যাব না।’

পদ্মা সেতুর কথা উল্লেখ করে মান্না বলেন, ‘আমরা দেখছি পদ্মা সেতুর নাট–বল্টু এক যুবক খালি হাতে খুলছে। তাঁকে আটক করা হলো। সরকার বলছে, সে রেঞ্চ দিয়ে নাট খুলেছে। তবে সেই ছবি দেখানো হচ্ছে না। এমনকি সেই ছেলেকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় নাকি ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। আর এসব বললে তারা বলবে, মান্না ভালো কথা বলেন না। সরকারের বিরোধিতা করে।’

তৃণমূল নাগরিক আন্দোলনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গণি, মফস্বল সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাখাওত হোসেন, কৃষক দলের সহসাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলম, দপ্তর সম্পাদক সফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন