বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বলেন, আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান শুধু নির্বাচনের দিন ভোটদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। কার্যত ইতিমধ্যেই নির্বাচন শুরু হয়ে গেছে। সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের জন্য আবশ্যক হলো নাগরিকদের মতামত প্রকাশ, সাংবাদিকদের ভয়ভীতি ছাড়া অনুসন্ধান এবং নাগরিক সমাজের ব্যাপক পরিসরে জনমত গঠনের সুযোগ নিশ্চিত করা।

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গণতন্ত্রের বিকাশ ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

পিটার হাস বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রও ত্রুটিমুক্ত নয়। আমরাও নিজেদের গণতান্ত্রিক সংস্কারের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে পুলিশের জবাবদিহি বিষয়ে আমাদের নিজস্ব সমস্যা নিরসন এবং নির্বাচনের দিনে সব মার্কিন নাগরিক যেন ভোট দিতে পারে, সেটা নিশ্চিত করা। সেই সঙ্গে আমরা সারা বিশ্বের দেশগুলোকেও তাদের গণতন্ত্রকে জোরদার করতে একই ধরনের অঙ্গীকার গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন সম্প্রতি আগামী নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর এই ঘোষণায় সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার রোধে এ আইন সংস্কারে আইনমন্ত্রীর সাম্প্রতিক প্রতিশ্রুতিকেও স্বাগত জানান তিনি।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন