default-image

‘আগুন-সন্ত্রাসীদের’ চূড়ান্তভাবে পরাজিত ও আত্মসমর্পণে বাধ্য করার পরই রাজনীতির অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। বুদ্ধিজীবীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যাঁরা সংলাপের জন্য তদবির করছেন, তাঁদের উচিত সবার আগে বেগম খালেদা জিয়ার কাছে গিয়ে আগুন–সন্ত্রাস বন্ধ করার জন্য তদবির করা।’
আজ সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা কাজী আরেফের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাসদ কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত স্মরণসভায় সভাপতির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। জাসদের সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু কাজী আরেফকে মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
কাজী আরেফ ১৯৯৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়ার কালীদাসপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে সন্ত্রাসবিরোধী এক সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় নিহত হন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ’৭৫ সালের আগস্ট মাসে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা এবং কর্নেল তাহেরকে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে হত্যার পর আওয়ামী লীগ-জাসদ-সিপিবি তথা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে কোণঠাসা করে মোশতাক-জিয়া জাতির কাঁধে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনীতি আর পাকিস্তানি ভূত চাপিয়ে দিয়েছিল। এ সময় ‘মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ’র রাজনৈতিক তত্ত্বের ভিত্তি সুদৃঢ় করা প্রয়াত কাজী আরেফের মৌলিক রাজনৈতিক অবদান।
সভায় আরও বক্তব্য দেন সাংসদ মাঈন উদ্দীন খান বাদল, শিরীন আখতার, রেজাউল করিম তানসেন, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আম্বিয়া, শওকত রায়হান, মুনির উদ্দিন আহমেদ, ওবায়দুর রহমান, মঞ্জুর আহমেদ প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন