default-image

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আদালতের আদেশ দিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে কখনো স্তব্ধ করা যায় না। আন্দোলন দমনের শেষ চেষ্টা হিসেবে আদালতকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ তাদের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব স্বীকার করে নিয়েছে। আজ সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘বর্তমানে রাষ্ট্রের সব অঙ্গই শাসন বিভাগের হাতে বন্দী। এক ব্যক্তির ইচ্ছার প্রতিফলন হচ্ছে বিচার বিভাগ, আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগে। ফলে রাষ্ট্রীয় নৈরাজ্যের চূড়ান্ত শিকারে পরিণত হয়েছে আজ দেশ ও জাতি। মানুষের মৌলিক ও মানবাধিকারের শেষ চিহ্নটুকু বিলুপ্তপ্রায়। বিচার বিভাগকে বিরোধী দল ও ভিন্নমত দমনের হাতিয়ারে পরিণত করেছে সরকার। অবৈধ সরকার ন্যায্য গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন দমনের শেষ চেষ্টা হিসেবে আদালতকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বকেই স্বীকার করে নিয়েছে প্রকারান্তরে।’
বিবৃতিতে দাবি করা হয়, সংসদ এখন ‘বিকাশ মার্কা’ এমপিদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে। সংসদ এখন বিএনপি, খালেদা জিয়া ও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার কেন্দ্র।
বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, গতকাল মাগুরার শালিখা উপজেলার বিএনপির নেতা কাজী মশিয়ার রহমানকে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথের নেতৃত্বে গুলি করে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে। একইভাবে দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে রানীরবন্দর শাখার ছাত্রশিবিরের সভাপতি মতিয়ার রহমানকে যৌথবাহিনী ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ্যে গুলি ও নৃশংস অত্যাচারের মাধ্যমে হত্যা করে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এসব ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী আদালতে বিচারের ব্যবস্থা করা হবে।

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন