জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, তাঁরা দেশে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর। তাই গণতন্ত্রের প্রবেশদ্বার নির্বাচনী ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ, সুন্দর ও মসৃণ করার জন্য সব সময় প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমান বিশ্বে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার চেয়ে ভালো শাসনব্যবস্থা আর কোথাও নেই। গণতন্ত্রের সৌন্দর্য যেন দেশের প্রতিটি নাগরিক উপভোগ করতে পারেন, সেটাই তাঁদের চাওয়া।

রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরাতে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান জি এম কাদের। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ১১ লাখের বেশি মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফিরে যাওয়া, তাদের মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে যেন উদ্যোগ নেওয়া হয়, সেই আহ্বান বিশ্ব বিবেকের কাছে রাখেন তিনি।

ইফতার মাহফিলে কূটনীতিকদের মধ্যে জার্মানির রাষ্ট্রদূত আখিম ট্রোস্টার, অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরমি ব্রুয়ার, যুক্তরাজ্যের ডিফেন্স অ্যাটাশে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিলটন, ভারতের ডিফেন্স অ্যাটাশে আতুল আম্বোহোত্রী, আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত রাবা লারবী, নেপালের শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স কুমার রায়, পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার কামার খোতকার, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত, কানাডার প্রতিনিধিসহ বেশ কয়েকটি দেশের দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

default-image

রাজনীতিবিদদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবীর নানক, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, গণফোরামের সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু, এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম, ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান খান অংশ নেন। এ ছাড়া অধ্যাপক আসিফ নজরুল, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার ও অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।

জাতীয় পার্টির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব মুজিবুল হক, সিনিয়র জ্যেষ্ঠ কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কো-চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন