নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীদের বেশির ভাগই শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তাঁদের দাপটে দলের প্রার্থীরা অনেকটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন।
এখানে ভোট ২৮ মে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের নেতারা উপজেলার ১০টি ইউপিতে প্রার্থীর নাম বাছাই করে দলের কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডে পাঠান। এর মধ্যে শুধু একজন মনোনয়ন পেয়েছেন। তৃণমূলের নেতাদের অনেকেই গোপনে বিদ্রোহী প্রার্থীর জন্য কাজ করছেন।
গত বৃহস্পতিবার বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে বিদ্রোহী প্রার্থীরা এগিয়ে যাচ্ছেন। ফলে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন দল মনোনীত প্রার্থীরা। কয়েকটি ইউপিতে দলীয় প্রার্থীর কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
উপজেলার নোয়াগাঁও ইউপিতে দলের মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান দেওয়ান উদ্দিন চুন্নুর কর্মীদের ওপর হামলা-মামলাসহ ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে বিদ্রোহী প্রার্থী ইউসুফ দেওয়ানের বিরুদ্ধে। জামপুরে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহরাব রোস্তম। বারদিতে বিদ্রোহী উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কামাল হোসেন।
দেওয়ান উদ্দিন বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশ আমাকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না। তাঁরা বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে মাঠে নেমেছেন। আমার কর্মীদের ওপর হামলা ও মামলার ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।’ পিরোজপুর ইউপির প্রার্থী মাসুদুর রহমান বলেন, দলের একটি অংশ বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে গোপনে কাজ করছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন