বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জি এম কাদের বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সংবিধান অনেক ক্ষমতা দিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। কিন্তু তারা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করছে না। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে ব্যর্থতার দায় নির্বাচন কমিশনকেই নিতে হবে। ঠুনকো কারণে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিল করা হচ্ছে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনে জয়ী হতে মরিয়া সরকারদলীয় প্রার্থীরা। আবার সরকারদলীয় প্রার্থীরা হামলা-মামলা করছেন জাতীয় পার্টি প্রার্থীদের ওপর।

জাপা চেয়ারম্যান আরও বলেন, সরকারি দলের সমর্থকেরা নির্বাচনের মাঠে দাঁড়াতে দিচ্ছেন না ভিন্নমতাবলম্বীদের। ইউনিয়ন পরিষদ হচ্ছে সবচেয়ে কম ক্ষমতার একটি প্রতিষ্ঠান, যেখানে বাজেটও থাকে স্বল্প। কিন্তু নির্বাচন কমিশন পুলিশ ও প্রশাসন ব্যবহার করে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে না পারাটা দুর্ভাগ্যজনক।

এ সময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ ঘোষণা দিয়েছিল, ঘরে ঘরে চাকরির ব্যবস্থা করবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, দেশে এখন কোটি কোটি বেকার কাজের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছে। তিনি বলেন, দেশ দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে। মন্ত্রণালয়ের গাড়িচালকেরা শতকোটি টাকার মালিক হন, কেরানির স্ত্রী হাজার কোটি টাকার মালিক। এর চেয়ে লজ্জাজনক ঘটনা আর হতে পারে না।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মো. ইকরাম হোসেন। সঞ্চালনা করেন প্রিয়াংকা সুকমল। আরও বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ওমর, যুগ্ম মহাসচিব মো. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন