বিজ্ঞাপন

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘ফিলিস্তিনের জনগণের ওপর অন্যায় আক্রমণ করা হয়েছে এবং নারী-শিশুসহ ২০০ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। অসংখ্য মানুষকে আহত করা হয়েছে, তাদের বাড়িঘর, স্কুল, হাসপাতাল ধ্বংস হয়ে গেছে। আমরা এই বর্বরোচিত হামলার নিন্দা জানিয়েছি, ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টকে চিঠি লিখে তাঁদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছি। আজকে আমরা কিছু ওষুধ ও চিকিৎসার কিছু সরঞ্জাম নিয়ে এসেছি, যা সামান্য হলেও তাঁদের সাহায্য করবে।’

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘ফিলিস্তিনের জনগণের এই সংগ্রামের সময়, যখন তাঁরা নিজস্ব ভূমের জন্য একটি ন্যায়সংগত লড়াই করছে, সেই সময় সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাসপোর্ট থেকে “ইসরায়েল” শব্দটি তুলে নেওয়াতে আমরা অত্যন্ত দুঃখ বোধ করেছি। আমরা মনে করি, ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামের সময় যখন তাদের পক্ষে গোটা পৃথিবী দাঁড়াচ্ছে, সেই সময় এটা খুব একটা ভালো কাজ হয়নি।’

একটি কাভার্ডভ্যানে করে ওষুধসামগ্রী ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদানের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। এ সময় বিএনপির মহাসচিব ছাড়াও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য এনামুল হক চৌধুরী ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান এই সহযোগিতার জন্য বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি তাঁর আশু আরোগ্য কামনা করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমাদের ফিলিস্তিনি জনগণ আপনাদের এই সহযোগিতার কথা কখনো ভুলবে না। আমরা বাংলাদেশের জনগণের শুভ কামনা করি। একই সঙ্গে আমরা বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন