বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজধানীর পুরানা পল্টনে আজ বুধবার ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দেশের চলমান সংকট উত্তরণের লক্ষ্যে করণীয় নির্ধারণে ওলামা মাশায়েখ ও রাজনীতিবিদদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় চরমোনাইয়ের পীর এসব কথা বলেন।
চরমোনাইয়ের পীর বলেন, সাম্প্রদায়িক রং লাগিয়ে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক চাপে ফেলতে পবিত্র কোরআন অবমাননা ও পরবর্তীতে সারা দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির, পূজামণ্ডপ ও বাড়িঘরে হামলা-অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এসব ঘটনা দেশ ও ইসলামবিরোধী শক্তির ষড়যন্ত্রের অংশ।

সাম্প্রদায়িক কোনো ঘটনা ঘটলেই ইসলামী সংগঠনগুলোকে একতরফাভাবে দায়ী করা হয় অভিযোগ করে সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যাওয়ার নামে ইসলামপন্থীদের তৎপরতা বন্ধের দাবি তোলা হচ্ছে। ভারতের গণমাধ্যম বাংলাদেশ ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বসেও একটি শ্রেণি তাদের সঙ্গে তাল মেলাচ্ছে।

চরমোনাইয়ের পীর বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ মুসলমানদের চেয়েও বেশি রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন, যা বিশ্বে বিরল। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ব্যবহার করে কেউ স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র সাজিয়েছে কি না, সে প্রশ্ন তোলেন তিনি। দেশবিরোধী চক্রান্ত মোকাবিলা ও চলমান সংকট উত্তরণে তিনি আগামী ১৭ নভেম্বর ঢাকায় জাতীয় কর্মসূচির ঘোষণা করেছেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, মহাসচিব ইউনুছ আহমাদ, দৈনিক ইনকিলাবের সহকারী সম্পাদক উবায়দুর রহমান খান নদভী, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম মুহিব্বুল্লাহিল বাকি নদভী, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সভাপতি নূরুল হুদা ফয়েজী প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন