মির্জা ফখরুল বলেন, ট্রেনসহ যোগাযোগব্যবস্থায় সরকারের কোনো কর্তৃত্ব আছে, তা মনে হয় না।

ফখরুল বলেন, ‘রাস্তাঘাটে আপনারা দেখেছেন, প্রতিদিন কীভাবে দুর্ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে। রেলের সময়সূচির বিপর্যয়, দেরি করে ছাড়া, দেরি করে যাওয়া। আসলে মূল কথাটা হচ্ছে, এই সরকারের কোথাও কোনো কর্তৃত্ব নেই। মানুষের এই যে দুর্ভোগ-ভোগান্তি, তাদের কোনো আনন্দ নেই।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘সরকার বলতে আমরা যেটা মনে করি যে কোনো সুশাসন নেই, কোনো গভর্ন্যান্স নেই। শুধু একটা দিকে তাদের লক্ষ্য, দুর্নীতি করা এবং প্রকৃতপক্ষে দেশকে তারা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করছে।’

পরে দলের প্রতিষ্ঠাতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন তাঁরা।

এই সময়ে দলের অন্য নেতাদের মধ্যে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ, আবদুস সালাম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, কেন্দ্রীয় নেতা হাবিব উন নবী খান উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্যুৎ নিয়ে বড়াই, সেখানে লোডশেডিং

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিদ্যুতের অবস্থা আপনারা দেখেছেন, যে বিদ্যুৎ নিয়ে এত বড়াই করেছে, সেই বিদ্যুতে আজ লোডশেডিং করতে হচ্ছে তিন-চার ঘণ্টা করে। এর মূল কারণ হচ্ছে দুর্নীতি।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্র হয়েছে, তা অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে আনা হয়েছে। এসব প্রকল্প স্থাপনে কোনো আন্তর্জাতিক টেন্ডার পর্যন্ত হয়নি এবং এমন আইন করা হয়েছে যে এখানে যদি কোনো অভিযোগ ওঠে, তাহলে কোনো রকমের মামলা করা যাবে না; অর্থাৎ ইনডেনিটি দেওয়া হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, কোনো সভ্য দেশে কোনো প্রকিউরমেন্টের ক্ষেত্রে এটা কোনোভাবে হতে পারে না।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কোনো পরিকল্পনাই সরকারের নেই। গ্যাসের কথা বলছে। আজ এলএনজি নেওয়ার জন্য এই সরকার গ্যাস উত্তোলনের কোনো ব্যবস্থা করেনি। তারা পুরোপুরিভাবে বিদেশ থেকে এলএনডি আমদানি করে ১–২টি কোম্পানিকে সহযোগিতা করার জন্য এসব দুর্নীতি করছে। গোটা ব্যাপারটা দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশকে লুট করার জন্য সব পরিকল্পনা করে। প্রকৃতপক্ষে এই সরকার একটা লুটেরা সরকারে পরিণত হয়েছে, আওয়ামী লীগ একটা লুটেরা দলে পরিণত হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, প্রকৃতপক্ষে এ দেশে কোনো উন্নয়ন হয়নি। আজ এখনো এ দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে গেছে। শতকরা ৪২ ভাগ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন