সরকারকে বিএনপি টেনে নামাতে চায় মন্তব্য করে দলটিকে সতর্ক করে শেখ সেলিম বলেন, তোরা যত টানবি আমাদের ক্ষমতা তত বাড়বে। আজকে ২০২২ সালে এসেছি। আরেকবার টান দিলে আমরা এবার ২০৫০ সালে চলে যাব।

শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, ‘উনি নাকি শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। যত অশান্তি উনি বাংলাদেশে ঘটানোর জন্য (করেছেন)। উনি যা করেছেন, দেশের পাই পয়সার উন্নতিও করেননি। উনি ক্ষতি করে গেছেন। সুদ খাইছেন। একজন সুদখোর, ঘুষখোর।’

এদিকে অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে শেখ সেলিম বলেন, ‘উনি (ড. ইউনূস) যে ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে দিয়েছেন, এই টাকা কোত্থেকে দিয়েছেন, তা তদন্ত করুন। এটা মানি লন্ডারিংয়ের টাকা।’

সরকারকে বিএনপি টেনে নামাতে চায় মন্তব্য করে দলটিকে সতর্ক করে শেখ সেলিম বলেন, ‘তোরা যত টানবি, আমাদের ক্ষমতা তত বাড়বে। আজকে ২০২২ সালে এসেছি। আরেকবার টান দিলে আমরা এবার ২০৫০ সালে চলে যাব। তোরা থাক ব্যাটা।’

বিএনপির সমালোচনা করে সরকারি দলের এই সদস্য আরও বলেন, ‘বিএনপি বিদেশিদের কাছে দেশের বিরুদ্ধে নালিশ করে, ধরনা দেয়। বিদেশিরা বাংলাদেশে কোনো কিছু করতে পারবে না। বাংলাদেশের ভাগ্য এ দেশের জনগণ নিয়ন্ত্রণ করবে। বিদেশিরা নিয়ন্ত্রণ করবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশে যে রকম সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হয়, বাংলাদেশেও সেইভাবে নির্বাচন হবে।’ বাংলাদেশ কখনো শ্রীলঙ্কা হবে না; বাংলাদেশ হবে সুইজারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পদ্মা সেতু নির্মাণের বিরোধিতাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান সরকারি দলের আরেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু। একই সঙ্গে তিনি ভাঙ্গায় যে জাদুঘর হবে, সেখানে পদ্মা সেতুর বিরোধিতাকারীদের বিস্তারিত তথ্য রাখার দাবি জানান।

ভাঙ্গায় জাদুঘর নির্মাণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য উল্লেখ করে ধীরেন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘পদ্মা সেতুর যন্ত্রপাতি নিয়ে ভাঙ্গায় জাদুঘর হবে। আমার প্রস্তাব থাকবে, যাঁরা পদ্মা সেতুর নির্মাণে বিরোধিতা করেছেন, তাঁদের তথ্য ওই জাদুঘরে রাখতে হবে।’

সংসদ সদস্য শফিউল ইসলাম বলেন, ‘বিনিয়োগ ঠিক রাখার চ্যালেঞ্জ আছে। মোকাবিলা করে এগিয়ে যাব। সিলেটে যে বন্যা হচ্ছে, সবাই মিলে মোকাবিলা করব।’

সংসদ সদস্য উম্মে কুলসুম বলেন, ‘পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপির মিথ্যাচার নিয়ে শিম্পাঞ্জিরাও হাসছে। তারা বন্যা নিয়েও মিথ্যাচার করছে।’

অন্যদের মধ্যে সরকারি দলের সংসদ সদস্য এস এম শাহাজাদা, এনামুল হক, হাবিব হাসান, হাবিবুর রহমান, খন্দকার মোমতাহেনা বক্তব্য দেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন