খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু এই সরকারের অধীনে নির্বাচন নয়। আমরাও একমত প্রকাশ করছি। এই কথার সঙ্গে আরও যুক্ত করতে চাই, আর এই সরকার নয়। আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই।’

সভায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘একাত্তর সালের মুক্তিযুদ্ধে যে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি হয়েছিল, আওয়ামী লীগ সেটি হত্যা করেছে। আমাদের কথা স্পষ্ট। এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। সে জন্য তাদের হটাতে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই।’

তবে সরকারের বিদায়ের পর কার অধীনে নির্বাচন হবে, তা আগেই নির্ধারণ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন আ স ম রব। তিনি বলেন, ‘সে সরকারটি অবশ্যই এমন সরকার হতে হবে, যারা একটি নিরপেক্ষ ও অবাধ নির্বাচন করতে পারবে। কারণ, বর্তমান সরকার যেভাবে প্রশাসনকে দলীয়করণ করেছে, তাতে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।’

এ সময় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘যাঁরা যাঁরা কথা বলেছেন, সবার কথার মধ্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত হয়েছে যে, এই সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। আমরা যাব না। এই সরকার চলে যাওয়ার পরে যে সরকার হবে সেটা তো নির্বাচিত সরকার নয়। এই সরকার কেমন হবে।’

আলোচনা সভায় বিএনপির নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, গণফোরামের মোস্তফা মহসীন মন্টু, গণ অধিকার পরিষদের রেজা কিবরিয়া, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, এলডিপির একাংশের রেদোয়ান আহমেদ, অপর অংশের শাহাদাত হোসেন সেলিম, জেএসডির শহিদ উদ্দিন মাহমুদ, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ভাসানী অনুসারী পরিষদের শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান, জাগপার নেতা খন্দকার লুতফুর রহমান, বিকল্পধারার নুরুল আমিন ব্যাপারী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন