বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের ঘাড়ে চেপে বসে আমাদের সমস্ত অর্জন ধ্বংস করে দিচ্ছে। দেশের সমস্ত মানুষকে নিয়ে, সব রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে নিয়ে, সব রাজনৈতিক ব্যক্তিকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সরকারকে পরাজিত করতে হবে এবং সত্যিকার অর্থেই আইনের শাসন, একটা মুক্ত অর্থনীতি, মুক্ত সমাজব্যবস্থা ও জনগণ যে ধরনের রাষ্ট্র ব্যবস্থা চায়, সেই রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

দেশের বিচার ব্যবস্থাকে সরকার পুরোপুরিভাবে দলীয়করণ করে ফেলেছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে, প্রশাসনকে ধ্বংস করা হয়েছে। সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হচ্ছে, বিচার ব্যবস্থাকে পুরোপুরিভাবে দলীয়করণ করে ফেলা হয়েছে। এখানে এখন ন্যায়বিচার পাওয়াটা প্রায় অসম্ভব।

সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার সাজার বিষয় উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, সাবেক প্রধান বিচারপতিকে ১১ বছর সাজা দেওয়া হয়েছে।

আইনজীবীরা বলছেন যে এটা কখনো কাম্য হতে পারে না। এটা কখনো বিচার ব্যবস্থাকে সম্মানজনক অবস্থায় নেবে না। এটা বিচার ব্যবস্থার ওপর মানুষের যে আস্থা, সেটাকে ধ্বংস করে দেবে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আজকে আর কোনো বিচারক সাহস পাবেন না যে সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করার। যেটা সরকার চাইবে না সেই রায় দেওয়া তাঁদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়াবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আজকে সংকটটা অত্যন্ত গভীর। এই সংকট আমাদের অস্তিত্বের—যেটা ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ সালের পূর্বে ছিল। সেই সংকট আজকে এখানে দেখা দিয়েছে। আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হয়ে পড়েছে, আমাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়েছে। আমাদের যা কিছু অর্জন ছিল আমরা সবকিছু হারিয়ে ফেলেছি।’

বিএনপির স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব আবদুস সালামের পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন