বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আক্ষেপ প্রকাশ করে জি এম কাদের বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরেও বলতে হচ্ছে স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক। এর চেয়ে দুর্ভাগ্য আর হতে পারে না। এখন রাস্তায় নেমেই কেউ স্লোগান দিতে পারে না স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক। এ থেকেই বোঝা যায় দেশের মানুষ কতটা গণতন্ত্র ভোগ করছে। তাঁর দাবি, ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর সাংবিধানিকভাবেই রাষ্ট্রক্ষমতা হস্তান্তর করেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তাঁর ক্ষমতা হস্তান্তরের পর থেকেই স্বৈরাচারের উত্থান আর গণতন্ত্র নিপাত যেতে শুরু করেছে।

দেশে সাংবিধানিকভাবেই একনায়কতন্ত্র চলছে দাবি করেন জি এম কাদের। এরশাদের ক্ষমতা হস্তান্তরের পর আওয়ামী লীগ ও বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গিয়ে দেশে মানুষে মানুষে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, এখন ক্ষমতাসীন দলের কর্মী না হলে পরীক্ষায় প্রথম হয়েও কেউ চাকরি পায় না, সরকারি দলের সদস্য না হলে কেউ ব্যবসা করতে পারে না।

জি এম কাদের বলেন, ‘আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা হচ্ছে বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা বিনির্মাণ। কিন্তু সরকারি দলের হলে একধরনের আইন, আর বিরোধীদের জন্য আলাদা আইন। ধনীদের জন্য এক আইন, আর গরিবদের জন্য অন্য আইন।’
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন জাপার মহাসচিব মুজিবুল হক, প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, মীর আবদুস সবুর, শামীম হায়দার পাটোয়ারি, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, আলমগীর সিকদার, জহিরুল ইসলাম, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শেরীফা কাদের প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন