বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে অর্থনীতিবিদ ও গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘আমরা রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন চাই। ভোট দিলাম একজন হয়ে গেল রাজা, আর যারা ভোট দিল তারা হয়ে গেল প্রজা। এটা হলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি। এটা ভাঙতে হবে।’

রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘জনগণ সরকারকে ভয় পাবে, এটা হতে দেওয়া যাবে না। এই ধরনের রাজনীতি আমরা করতে চাই না। জনগণকে সরকার ভয় করবে, এটা হতে হবে। মানুষের মধ্যে রাজনীতি, সরকারে যারা আছে তাদের প্রতি বিদ্বেষ, অবিশ্বাস আছে। এটা নিয়ে ভীষণ দুশ্চিন্তা লাগে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মানুষের আস্থা অর্জন করাটা খুব কঠিন। তবে আস্থা হারানোটা খুব কঠিন না। আমাদের লক্ষ্য দেশের মানুষের অধিকার, ভোটাধিকার রক্ষা করা। রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া।’

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে রেজা কিবরিয়া বলেন, করোনার আগে দেশের ২০ ভাগ মানুষ গরিবের কাতারে ছিল। এখন এর সঙ্গে আরও ২২ ভাগ যুক্ত হয়েছে। এই ৪২ ভাগ মানুষের সঞ্চয় একেবারেই শেষ। এটা সবচেয়ে মারাত্মক যে তাদের ক্রয়ক্ষমতা ধ্বংস হয়েছে। এখন সরকারের দায়িত্ব সবচেয়ে গরিব মানুষের হাতে টাকা দেওয়া, সহযোগিতা করা। যুক্তরাষ্ট্রে দেওয়া হয়, কলোম্বিয়াতে এমন হচ্ছে। সরকার পরিস্থিতি ঠেকাতে কাজ করছে, তবে তাদের প্রশাসনিক দুর্বলতায় পুরোটা করতে পারছে না।
সভাপতির বক্তব্যে সিলেট-২ আসনের সাংসদ ও গণফোরামের নেতা মোকাব্বির খান বলেন, বৈষম্য আগেও ছিল, এখনো আছে। দুর্নীতি ও দুঃশাসনের কারণে এই বৈষম্য রয়েছে। দুর্নীতি এই দেশকে শেষ করে দিচ্ছে। বৈষম্য ও দুর্নীতি এই রাষ্ট্রকে এগোতে দিচ্ছে না। এর জন্য গণফোরামের নেতা-কর্মীদের জনগণের অধিকার আদায়ে কাজ করতে হবে।

মোকাব্বির খান বলেন, মানুষের কাছে এই সরকারের কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। কেবল ১০ থেকে ১৫ ভাগ মানুষ এই সরকারকে সমর্থন করে। আর বিরোধী দলও ব্যর্থ। তাদের ওপরও মানুষের আস্থা নেই। গণফোরাম সভাপতি ড. কামালের নেতৃত্বে বৃহত্তর ঐক্য তৈরি করতে হবে। একমাত্র জাতীয় ঐক্যই পারে জনগণের সত্যিকার স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন