বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, সরকার গোয়েন্দা বাহিনীদের দিয়ে চাপ প্রয়োগ করেছে, যাতে কল্যাণ পার্টি অনুষ্ঠানটি করতে না পারে।
এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দূতাবাসের কূটনৈতিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী, আলেম সমাজ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি বিএনপির জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়।

সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা আক্ষেপ করে বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য বিএনপির জ্যেষ্ঠ যে কজন নেতাকে দাওয়াত দিয়েছিলাম, তাঁদের দূরবর্তী অঞ্চল থেকে কল্যাণ পার্টির অনুষ্ঠানে অংশ না নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে তিনি বেদনাহত।’
এর আগে ধানমন্ডি এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে রাজনৈতিক দোয়া মাহফিল ও জাতীয় প্রেসক্লাবে আরেকটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম। ওই দুই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন। হঠাৎ করে এমন অনুষ্ঠান নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনাও হয়।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরকে মহান এবং মহীয়ান করে রাখতে এ বছরই নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কলঙ্কমুক্ত করার আহ্বান জানান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম।

গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল–জাজিরায় প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়েও কথা বলেন সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আল–জাজিরার রিপোর্ট নিয়ে ফেসবুকে পোস্টের পর পোস্ট দেখছি। তারা আরও নাকি দেখাবে।’ একজন সাবেক সৈনিক এবং মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘যে কথাগুলো আল–জাজিরাতে বলা হয়েছে, সে কথাগুলো যদি অসত্য হয়, যারা এটা প্রচার করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিন। আর যদি সত্য হয়, আপনারা তার বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।’

সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা মনে করেন, উন্মুক্ত বিশ্বে তথ্য কোনো দিন লুকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। একজন সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা হিসেবে তিনি এ প্রতিবেদনে অপমানিত বোধ করছেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন