বিজ্ঞাপন

গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য সরকারের আন্তরিকতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারই সাংবাদিকদের কল্যাণে আইন প্রণয়ন করে ট্রাস্ট গঠন করেছে। আর করোনাকালে এই সরকার সাংবাদিকদের যেভাবে সহায়তা করেছে, অন্য কোনো দেশে তা করা হয়নি।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই এ দেশে বেসরকারি পর্যায়ে টেলিভিশন ও বেতারের যাত্রা শুরুর কথা স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যার দেশ পরিচালনায় গণমাধ্যমের যেমন যুগান্তকারী বিকাশ ঘটেছে, তেমনি কেউ কেউ স্বীকার না করলেও সত্যটা হলো, বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। এর সঙ্গে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার যে চাহিদা বেড়েছে, তা পূরণে ডিআরইউসহ সব গণমাধ্যম সংগঠনকে সাংবাদিক প্রশিক্ষণের ওপর জোর গুরুত্ব দিতে হবে।’

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান ও কোষাধ্যক্ষ শাহেদ চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির বর্তমান ও সাবেক নেতারা অনুষ্ঠানে সংগঠনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। সভাশেষে অতিথিদের নিয়ে ডিআরইউর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটায় অংশ নেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।

ডিআরইউর অনুষ্ঠান শেষে পাশে ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্র্যাব) দপ্তরে সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে মন্ত্রী কুশল বিনিময় করেন। ক্র্যাব সভাপতি মিজান মালিকসহ সংগঠনের সদস্যরা এ সময় মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন