বিজ্ঞাপন

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মানুষ দীর্ঘদিন অসত্যের সঙ্গে চলতে পারে না। পারে না সত্যকে লুকিয়ে রাখতে। হাতের তালু দিয়ে যেমন আকাশ ঢাকা যায় না, তেমনি সত্যকেও কখনো আড়াল করে রাখা যায় না। পৃথিবীর ইতিহাসে এক নির্মম, হত্যাকাণ্ড ১৫ আগস্ট। অথচ বেগম জিয়া তাঁর ভুয়া জন্মদিন পালন করে আসছিলেন এই দিনে।

ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সপরিবারে জাতির পিতার হত্যা দিবসে ভুয়া জন্মদিন পালন করা কতটা নিষ্ঠুর ও বিদ্বেষপ্রসূত রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

১৩টি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের মধ্যে স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী ও খাদ্যসহায়তা বিতরণ করতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, আবদুর রাজ্জাক, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ।

সরকারি বাসভবন থেকে এই অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়েছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, জাতীয় শোক দিবসে বেগম খালেদা জিয়ার ভুয়া জন্মদিন পালন করা জাতির পিতার হত্যাকারীদের উৎসাহিত করা এবং নির্মম হত্যাকাণ্ডকে উপহাস করারই শামিল বলে জনগণ মনে করে। বিএনপির নেত্রী কি পারতেন না শোকাবহ ১৫ আগস্টে ভুয়া জন্মদিনের অনুষ্ঠান না করতে?

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বেগম জিয়ার ম্যাট্রিকুলেশন সনদ অনুযায়ী জন্ম ৯ আগস্ট ১৯৪৫, বিবাহ সনদ ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫, পাসপোর্ট সনদ ১৯ আগস্ট ১৯৪৫। আবার দাবি করেন ১৫ আগস্ট ১৯৪৫ তাঁর জন্মদিন। একজন মানুষের এতগুলো জন্মদিন থাকা নিয়ে দীর্ঘদিনের রহস্য বেগম জিয়া নিজেই উন্মোচন করেছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা এখনো বেগম জিয়ার চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিকে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাঁর মুক্তি এবং চিকিৎসা নিয়ে বিএনপি নেতারা এর আগেও রাজনীতি করেছেন, এখনো করছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সবাইকে শতভাগ মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। ঈদ উৎসব যাতে অন্তিম উৎসবে পরিণত না হয়, সেদিকেও সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। করোনায় সবাইকে সচেতন করে সারা দেশে প্রচার চালাতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন