বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবেদনে বলা হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনের ৪(১) ধারায় বলা হয়েছে, অনুসন্ধান কমিটি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করবে। অসম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করলে বা তথ্য গোপন করলে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয় না। আবেদনে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, তথ্য অধিকার আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য পাওয়া প্রত্যেক নাগরিকের আইনস্বীকৃত অধিকার। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে তথ্য অধিকার আইনের ৮(১) ধারার অধীনে ৩২২ জনের পরিপূর্ণ তথ্য পেতে চান। প্রস্তাবিত নামের পাশাপাশি প্রস্তাবকারীর নাম; অর্থাৎ কে কার নাম প্রস্তাব করেছে, তার পরিপূর্ণ তালিকা পাওয়ার জন্য তিনি আবেদন করেছেন।

এদিকে এরই মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করেছে অনুসন্ধান কমিটি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে কমিটি এসব নাম জমা দেবে। তবে ১০টি নাম প্রকাশ না করার বিষয়ে কমিটি আগের সিদ্ধান্তেই অটল রয়েছে।

এবারই প্রথম আইন অনুযায়ী ইসি গঠিত হচ্ছে। গত ২৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে আইন পাসের পর ইসি গঠনে যোগ্য ব্যক্তি বাছাইয়ে ৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়।

এই কমিটি নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে নাম দেওয়ার অনুরোধ করেছিল। ব্যক্তিপর্যায়েও নাম আহ্বান করা হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারি ৩২২ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করে কমিটি। এরপরও বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠকে আরও কিছু নামের প্রস্তাব আসে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন