বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, এর আগে গতকাল সন্ধ্যায় বসুরহাট পৌরসভার মেয়র কাদের মির্জার অনুসারী সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন চৌধুরী ওরফে শিমুলের (৪৩) মাথা ফাটিয়ে দেন একই বাড়ির এক যুবক। এ ঘটনার জের ধরে রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী পরিবহননেতা আকরাম উল্লাহ সবুজের বসুরহাট নতুন বাসস্ট্যান্ডের ড্রিম লাইন বাস সার্ভিসের একটি কাউন্টারে অগ্নিসংযোগ করেন কাদের মির্জা অনুসারীরা। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভান।

খিজির হায়াত খান প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে মুখোশ পরা একদল দুর্বৃত্ত লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁর গ্রামের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁর বাসভবনের দুটি জানালার কাচ ভাঙচুর করে এবং বেশ কয়েকটি হাতবোমার (ককটেল) বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। হামলাকারীদের অন্তত চারজনকে তাঁর বাড়িতে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে। তাঁর অভিযোগ, কাদের মির্জার অপরাজনীতির প্রতিবাদ করার কারণে অনুসারীরা রাতের অন্ধকারে তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়েছে বলে তিনি মনে করেন। এর আগে গত ৮ মার্চ বসুরহাট বাজারে কাদের মির্জার নেতৃত্বে অনুসারীরা তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছিলেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি ব্যস্ত পাওয়া যায়। পরে অন্য একটি মুঠোফোন থেকে কল করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বসুরহাট নতুন বাসস্ট্যান্ডে কাউন্টারে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি দাবি করেন। আর কাদের মির্জার অনুসারী সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন শিমুলের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেনি বলেও জানান ওসি।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন