২০-দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করে পেট্রলবোমা উদ্ধার, পুলিশের ওপর হামলাসহ ক্রসফায়ারের নাটক সাজিয়ে তাঁদের হত্যা করা হচ্ছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। গতকাল রোববার বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করা হয়।
২০-দলীয় জোটের চট্টগ্রামের আহ্বায়ক আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম, সাবেক সাংসদ রোজী কবির, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান, নগর বিএনপির সহসভাপতি শামসুল আলম ও আবু সুফিয়ান এবং সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেনের নাম বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি আমীর খসরু মাহমুদের ব্যক্তিগত সহকারী মোহাম্মদ সেলিমের ই-মেইল থেকে এসেছে। পরে তিনি মুঠোফোনেও বিবৃতি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এতে বলা হয়, গত শনিবার রাতে সীতাকুণ্ডে একটি নাটক সাজিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ২০-দলীয় জোটের এক কর্মীকে হত্যাসহ বেশ কয়েকজনকে গুরুতর আহত করে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে যৌথ বাহিনী তল্লাশির নামে নিরীহ কর্মীদের হয়রানি করছে। অবিলম্বে এসব কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তাঁরা বলেন, খুন, গুম,হত্যা করে ও মামলা দিয়ে এবং গণগ্রেপ্তার চালিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, অতি উৎসাহী কর্মকর্তাদের মনে রাখা উচিত, এ দেশের ইতিহাসে কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলন ব্যর্থ হয়নি। এই আন্দোলনও ব্যর্থ হবে না। এই আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সরকার তার দলীয় এজেন্টদের দিয়ে পেট্রলবোমার মাধ্যমে নিরীহ মানুষ হত্যা করে কৌশলে এর দায়দায়িত্ব বিরোধী দলের ওপর চাপানোর অপচেষ্টা করছে।

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন