default-image

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আন্দোলনে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘এটি আন্দোলন নয়; সন্ত্রাস, নাশকতা ও জঙ্গি তৎপরতা।’ আজ রোববার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১৪ দলের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কেউ আপস করেনি। আপস করলে বুশ লাদেনের সঙ্গে সংলাপ করত, আমেরিকা আইএসের সঙ্গে। আমি মনে করি, খালেদা জিয়ার এ আন্দোলনের মধ্যে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র আছে। খবর বেরিয়েছে, পাকিস্তানের দূতাবাসের এক কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাকিস্তান এ আন্দোলনে পুরোপুরি সহায়তা দিচ্ছে। কারণ তারা একাত্তরের পরাজয়ের বদলা নিতে চায়।’
খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নের বিপক্ষে তিনি এ আন্দোলন ঘোষণা করেছেন। কিন্তু তিনি সেটা পারবেন না। তিনি বলেন, ‘আমাদের অবস্থান পরিষ্কার। যারা সন্ত্রাস ও জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত, তাদের সঙ্গে কোনো সংলাপ হবে না।’ ৫ জানুয়ারি বিএনপিকে সমাবেশ করতে না দেওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল—মন্তব্য করে তিনি বলেন, এখন তিনি যেমন গুলশান কার্যালয়ে অবস্থান করছেন, ঠিক সে কাজটি করতে চেয়েছিলেন নয়াপল্টনে।

একই সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, আগুন সন্ত্রাসী ও দানবের সঙ্গে কোনো সংলাপ হতে পারে না। এ সময় খালেদা জিয়াকে তিনি ‘সন্ত্রাসের রানি ও আগুন নেত্রী’ বলে কটাক্ষ করেন।

বৈঠকে ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. নাসিম, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, গণতান্ত্রিক মজুদর পার্টির সভাপতি জাকির হোসেন, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ওয়াজেদুল ইসলাম খান, বাসদের আহ্বায়ক রেজাউর রশিদ খান ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচি: ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেল চারটায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তন পর্যন্ত শান্তির পক্ষে গণমিছিল করবে ১৪ দল। একই সময়ে দেশের সব জেলা ও উপজেলায় এ কর্মসূচি পালিত হবে। ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি গণমিছিল সফল করার জন্য মতবিনিময় সভা করবে ১৪ দল। এ ছাড়া রাজশাহীর কাটাখালীতে ২৩ ফেব্রুয়ারি সমাবেশের কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন