বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মির্জা ফখরুল বলেন, ঢাকায় কোথায় গণ–অনশন কর্মসূচি পালন করা হবে, সেটি ভেন্যু পাওয়া সাপেক্ষে জানানো হবে। কোথাও ভেন্যু পাওয়া না গেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনশন হবে।

অসুস্থ খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এ সময় বিএনপির মহাসচিব বলেন, আইন নেই বলে আইনমন্ত্রী যে কথা বলেছেন, এটা সঠিক নয়। দণ্ডবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী সরকার শর্তহীন অথবা শর্তযুক্তভাবে যে কারও দণ্ডাদেশ স্থগিত বা মওকুফ করতে পারে। খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে সরকার স্বতঃস্ফূর্তভাবে দণ্ডাদেশ স্থগিত করেছেন, মওকুফ নয়।

ওই আইনে বলা আছে, সরকার যদি মনে করে এই শর্ত পরিবর্তন, সংশোধন বা অন্য কোনো শর্ত আরোপ করতে পারে। অর্থাৎ এটা সম্পূর্ণভাবে সরকারের এখতিয়ার।
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ। দেশে যতটা সম্ভব চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিচ্ছেন। চিকিৎসকেরা বারবার তাঁকে বিদেশে উন্নত হাসপাতালে স্থানান্তর করতে বলেছেন।

খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা তুলে ধরে বিএনপির মহাসচিব বলেন, রক্ত দেওয়া হয়েছে, আজ এন্ডোস্কোপি করানো হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, এ দেশের যা কিছু চিকিৎসা, তা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখানে আর সম্ভব নয়। এখন তাঁকে বিদেশে নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকেরা বলেছেন, খালেদা জিয়ার যে অবস্থা, তাতে তাঁর সমস্যা এখনো সমাধানযোগ্য। কিন্তু সঠিক চিকিৎসা না পেলে যেকোনো মুহূর্তে তিনি এমন অবস্থায় যেতে পারেন, যখন কোনো চিকিৎসা কার্যকর হওয়ার সুযোগ থাকবে না।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আবদুল মঈন খান ও সেলিমা রহমান; ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, শাহজাহান ওমর, আবদুল আউয়াল, নিতাই চন্দ্র রায়, শামসুজ্জামান ও জয়নাল আবেদীন; চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবদুস সালাম ও আমানুল্লাহ আমান; যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন