বিজ্ঞাপন

তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া দেশের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসুবিধা পাচ্ছেন। এটি নিশ্চিত করতে সরকার বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। সর্বোচ্চ চিকিৎসাসুবিধার ফলে ইতিমধ্যেই তাঁর করোনা নেগেটিভ এসেছে। কিন্তু এরপরও খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার জন্য বিএনপির আবেদন-নিবেদনের হেতু বোধগম্য নয়। এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কাজ করছে, কারণ তিনি এখানে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে ‘মাইনাস’ করার জন্যই বিএনপি বিদেশে নেওয়ার আবেদন করেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা পত্রপত্রিকায় দেখতে পাই, বিএনপির একেক নেতা একেক ধরনের কথা বলেন। সুতরাং বিএনপির যেসব নেতৃবৃন্দ তাকে বিদেশ পাঠাতে বলছে, সেটির মধ্যেও কোনো দুরভিসন্ধি আছে কি না, সেটিও একটি জিজ্ঞাস্য বিষয়।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা পজিটিভ কোনো রোগীকে অন্য কোনো দেশ নিচ্ছে না এবং নেগেটিভ হওয়ার পরও বেশ কিছুদিন নানা শারীরিক সমস্যা থাকে, তা তাঁর নিজের (হাছান মাহমুদ) করোনা হয়েছিল বলে জানেন। এগুলো স্বাভাবিক। খালেদা জিয়াকে এখন বিদেশে নয়, দেশেই তাঁর সেবা-শুশ্রূষা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। সে কারণে খালেদা জিয়াকে তাদের (বিএনপির) বিদেশে নিয়ে যাওয়ার আবেদনের উদ্দেশ্য চিকিৎসা নয়, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বলেই মনে হয়।

হাছান মাহমুদ বলেন ‘খালেদা জিয়া সুস্থ হোন, সেটিই আমরা চাই এবং এ জন্য মহান স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করি। আজ বিএনপি সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে খালেদা জিয়া দ্রুত আরোগ্যলাভ করছেন, এটি অত্যন্ত সুখবর।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন