বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নির্বাচন না হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশে একটি গণতন্ত্রহীন পরিবেশ তৈরি হয় এবং অন্য কিছু ঘটে, তারা সেই চেষ্টা করেছিল কিন্তু সফল হয়নি।’

এ সময় হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি গণতন্ত্র হত্যাকারী হিসেবে চিহ্নিত। জিয়াউর রহমান বন্দুকের নল উঁচিয়ে মানুষের লাশের ওপর দিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন, মানুষের লাশের ওপর দিয়েই ক্ষমতায় টিকে ছিলেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘মির্জা ফখরুলের মতো মহাসচিবের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক এবং লজ্জাকর যে তাঁর সামনে নেতা–কর্মীদের মারামারি, বাগ্‌বিতণ্ডা হয় এবং তা থামানোর জন্য তাকে উচ্চ স্বরে চিৎকার করতে হয়। যারা নিজেদের শৃঙ্খলা রাখতে পারে না, একটি সমাবেশের শৃঙ্খলা রাখতে পারে না, সমাবেশ করতে গিয়ে নিজেরা নিজেরা মারামারি করে, তারা কীভাবে দেশ চালানোর স্বপ্ন দেখে, এটিই হচ্ছে প্রশ্ন।’

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির গতকাল বুধবারের বৈঠক নিয়ে কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে গুজব বা অসত্য ঘটনা প্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হলে সেটির দায় সেই মাধ্যমের সার্ভিস প্রোভাইডারকে নিতে হবে। সংসদীয় কমিটির আগামী যেকোনো বৈঠকে নোটিশ দিয়ে ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—বাংলাদেশে যাদের সার্ভিস প্রোভাইডার আছে, তাদের ডাকা হবে। এ বিষয়টি তাদের বলা হবে এবং ব্যাখ্যা চাওয়া হবে।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানানো প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি যে চিঠি গ্রহণ করেছে, সেটি ভালো দিক। বিএনপি সংলাপে অংশ নেবে, এমনটাই আশা আমাদের। তাদের ওজর–আপত্তি কিংবা সংলাপপ্রক্রিয়া নিয়ে যে প্রশ্ন, সেগুলো তারা সেখানে বলে আসতে পারে। তাহলেই সেটি একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের আচরণ হবে।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন