বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শাহাদাত হোসেন বলেন, খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় আছেন। তিনি রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, চোখ, দাঁত ও গুরুতর কার্ডিয়াক সমস্যায় ভুগছেন। তাঁর রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেছে। সত্যিকার অর্থে তাঁকে যদি সুস্থ করতে হয়, তাহলে এ দেশে সে ধরনের কোনো অ্যাডভান্স মেডিকেল সেন্টার নেই। এ জন্য তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে, অন্তত মানবতার স্বার্থে তাঁকে বাইরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক। কিন্তু তাঁকে সে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তিনি বাংলাদেশের মানুষের সবচেয়ে প্রিয় নেত্রী। তাঁকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না, এটা অমানবিক।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করেছেন। তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। দেশকে উন্নত করার জন্য তাঁর বহু অবদান রয়েছে। উপমহাদেশের জনপ্রিয় এই নেত্রীকে নিয়ে আওয়ামী লীগ এখন নোংরা রাজনীতি করছে। তাঁর বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি প্রশ্নে কৌশল করছে সরকার। আমরা সরকারকে আবারও আহ্বান জানাচ্ছি, অবিলম্বে তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা করার সুযোগ দেওয়া হোক। কারণ, তিনি গণতন্ত্রের নেত্রী। তাঁর যদি কিছু হয়ে যায়, এর সব দায়দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে। আমরা আশা করব, সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।’

নগর বিএনপির সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, খালেদা জিয়াকে দীর্ঘ চার বছর কারাগারে বন্দী রাখার কারণে পর্যাপ্ত চিকিৎসা না হওয়ায় তিনি অনেক রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলছেন, তিনি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছেন। কিন্তু সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাঁকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে। এত দিন দেশনেত্রীকে রাজনীতি ও জনগণ থেকে দূরে রেখেছে।

এখন তাঁর জীবন থেকেও সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত শুরু করেছে। মানবতার স্বার্থে খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ করে দেওয়ার আহ্বান জানান আবুল হাশেম।

এদিকে সকাল নয়টা থেকে নেতা-কর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে গণ-অনশন কর্মসূচি শুরু করেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন