বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি, আল্লাহ তাআলা তাঁকে যেন সুস্থতা দান করেন। এটা শুধু বিএনপির জন্য নয়, তাঁর পরিবারের জন্য নয়, এই বাংলাদেশের ১৬ কোটি স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য তাঁকে আমাদের বড় প্রয়োজন। তিনি হচ্ছেন সেই নেত্রী, যিনি গণতন্ত্রের জন্য হ্যামিলনের বংশীবাদকের মতো সারাটা জীবন সংগ্রাম করেছেন।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘এই সরকার আমাদের সব অধিকার হরণ করে নিয়েছে। আজ আমরা একটা বড় জায়গায়, খোলা জায়গায় তাঁর জন্য দোয়া করার অনুমতি পাই না। আজকে সভা-সমাবেশ করার অনুমতি পাই না। কারণ, এই ফ্যাসিস্ট সরকার জানে, আজকে যদি আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বের হই, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রশ্নে সমস্ত দেশ উজ্জীবিত হবে।’

মির্জা ফখরুল দলীয় চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে বলেন, ‘চিকিৎসকেরা ইতিমধ্যে বলেছেন, তাঁর অনেক ধরনের অসুখ। সত্যিকার অর্থে তাঁকে যদি সুস্থ করতে হয়, তাহলে এ দেশে সেই ধরনের কোনো অ্যাডভান্স মেডিকেল সেন্টার নেই। এ জন্য বারবার সরকারকে বলা হয়েছে, পরিবার থেকে আবেদন করা হয়েছে, অন্তত মানবতার স্বার্থে তাঁকে বাইরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক। আমরা বারবার বলছি, কিন্তু তাঁকে সে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘তাঁর তার পরিবারের পক্ষ থেকে আবারও আবেদন করা হয়েছে। আমরা আবারও আহ্বান জানাচ্ছি সরকারকে, অবিলম্বে তাঁকে বাইরে চিকিৎসা করার সুযোগ দেওয়া হোক। কারণ, তিনি গণতন্ত্রের নেত্রী। তাঁর যদি কিছু হয়ে যায়, এর সব দায়দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে। আমরা আশা করব, আপনাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। আপনারা দয়া করে মানবতার স্বার্থে খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ করে দেন।’

এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুস সালাম ও আমানউল্লাহ আমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন