বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘স্বাধীনতার আগে খেলোয়াড় হিসেবে তৎকালীন পরিবেশ দেখেছি, স্বাধীনতাযুদ্ধও দেখেছি। খেলাধুলার যেসব ঐতিহ্য ছিল, সব হারিয়ে আমরা অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছি। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

১৯৬২ সাল থেকে ঢাকা ফুটবল লিগে ও ১৯৬৭ সাল থেকে স্বাধীনতার পূর্ব পর্যন্ত পাকিস্তান জাতীয় দলে খেলেছেন উল্লেখ করে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, তখন তিনি দেখেছেন, রাজনৈতিক ব্যক্তি ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন না। ফুটবলের হেড কোয়ার্টার ছিল ঢাকা। সেখানে কোনো রাজনীতিবিদ ছিলেন না। ফুটবল আয়োজন করতেন সরকারি কর্মকর্তারা। বেশির ভাগই ছিলেন প্রকৌশলী, বড় ব্যবসায়ী।

জমিদারেরাও খেলা পরিচালনা করতেন। ছোট শিশু–কিশোরদের অনুপ্রাণিত করতে খেলাধুলার আয়োজন করা হতো।

ফুটবল নিয়ে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে আক্ষেপের সুরে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, স্বাধীনতার পর লিগের প্রথম দুই খেলায় সাত গোল দিয়েছেন তিনি। তখন জাতীয় দলে খেলোয়াড় ডাকা হলেও তিনি ডাক পাননি। সেনাবাহিনীর সদস্য হওয়ায় এর প্রতিবাদও করতে পারেননি।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দিকে ইঙ্গিত করে হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘আমরা নাকি উন্নয়নের রোল মডেল। একটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যদি ৬৯ জন মারা যায়, কিসের রোল মডেল আমরা? অথচ সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন ছিল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। সেখানে এখন লোক দাঁড়াতেও পারে না।’

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এম এ লতিফ খান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিএনপির ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন