পরে সন্ধ্যায় কাউন্সিল পর্বের শুরুতে মোহাম্মদ আজমকে সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তিনি নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

এ সময় সাধারণ সম্পাদক পদে প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী এস এম মাসুদ হোসেন নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা করেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা তাঁকে সাধারণ সম্পাদক করা সম্ভব নয় বলে জানালে হট্টগোল শুরু হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এস এম মাসুদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি ২০১৩ সাল থেকে আওয়ামী লীগের সদস্য। এবার আবার ফরম পূরণ করেছি। কিন্তু নেতারা আমাকে নতুন সদস্য হিসেবে কোনো পদ দেওয়া যাবে না বলে জানান। আমি পুরোনো তা স্বীকার করছেন না। এটা শুনে নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। নাছির ভাইয়ের অনুসারী খোরশেদ আলম নামের একজনকে সাধারণ সম্পাদক করতে এই অজুহাত তোলা হয়েছে। একপর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা সাধারণ সম্পাদক পদে কারও নাম ঘোষণা না করে সভাস্থল ত্যাগ করেন।’

জানতে চাইলে চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুর রহমান বলেন, ‘দুপুর থেকে আমরা সম্মেলনে ছিলাম। দুই পক্ষের যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেদিকে নজর ছিল। একটু উত্তেজনা থাকবে স্বাভাবিক। সভাপতি পদে নাম ঘোষণার পর সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে একটু মনোমালিন্য হয়েছিল। পরে নেতারা সাধারণ সম্পাদক পদ ঘোষণা না করে চলে যান।

এ বিষয়ে জানতে নোমান আল মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন