বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের জামাল খান প্রেসক্লাবের সামনে এই ঘটনা ঘটে। ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগর বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠন মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, আজ বেলা তিনটা থেকে প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হতে থাকেন বিএনপির নেতা–কর্মীরা। এ সময় তাঁরা প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে অবস্থান নেন। প্রায় ছয় থেকে সাত শ নেতা–কর্মী মানববন্ধনে অংশ নেওয়ায় সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এ সময়ে মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতা–কর্মীদের সড়ক থেকে সরে যেতে বলে পুলিশ। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপির নেতা–কর্মীরা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। এ সময় পুলিশ তাঁদের প্রতিহত করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময়ে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে আজকের মানববন্ধন কর্মসূচি জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল। লাঠিচার্জ করেও পুলিশ নেতা–কর্মীদের দমাতে পারেনি। এই বিএনপি নেতা বলেন, আলোচনার নামে আগামীতে ভোট চুরির পাঁয়তারা করা হচ্ছে। ভোট চোরদের সঙ্গে চুরির উচ্ছিষ্ট খাওয়ার জন্য বিগত দিনের মতো কিছু লোক ঘোরাঘুরি করছে। বাংলাদেশের মানুষ আজ একতাবদ্ধ হয়েছে—ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য, সাংবিধানিক অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘এক শ নেতা–কর্মীর উপস্থিতিতে মানববন্ধন কর্মসূচি করার অনুমতি নেয় বিএনপি। কিন্তু তারা সেখানে বেশি লোকের সমাগম করে। রাস্তায় অবস্থান নেয়। এতে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪৪ জনকে আটক করে।’
নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় তাঁদের ৩৫ নেতা–কর্মী আহত হয়েছেন। মানববন্ধনে নগর বিএনপির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন, সদস্যসচিব আবুল হাশেম, যুগ্ম আহবায়ক আবু সুফিয়ানসহ বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন