ছাত্র অধিকার পরিষদের চট্টগ্রাম নগর শাখার সভাপতি আমির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, স্বাধীনতা দিবসে শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে নেতা-কর্মীদের নিয়ে বেলা সাড়ে ১১টায় মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে যান। ওই সময় যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীরা ফুল দিচ্ছিলেন। তাই পুলিশ তাঁদের এক পাশে সরিয়ে দেয়। এরপর তাঁরা সেখানে অপেক্ষা করছিলেন। যুব ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীরা ফুল দিয়ে নেমে আসার পর হঠাৎ লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা করেন। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া প্রায় সবাই কমবেশি মারধরের শিকার হয়েছেন। অন্তত ৭-৮ জনকে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।

হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি দাবি করেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা ফুল দিতে এলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাঁদের ধাওয়া দিয়েছেন। এর সঙ্গে যুব ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেউ জড়িত নন।

চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নেজাম উদ্দিন বলেন, যুব ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা–কর্মীদের তর্কাতর্কি হওয়ার কথা তাঁরা শুনেছেন। তবে কারও আহত হওয়ার খবর তাঁরা পাননি।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন