বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, শামীম এস্কান্দার গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই আবেদন করেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। তবে এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার পরিবার, তাঁর দল বিএনপির নেতারা কিছু বলছেন না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরের একজন কর্মকর্তা খালেদা জিয়ার পক্ষে আবেদন করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগেও পরিবারের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার অনুমতি চেয়ে একাধিকবার আবেদন করা হয়েছিল। সেসব আবেদন নাকচ হয়।
গত এপ্রিল মাস থেকে এ পর্যন্ত তিন দফায় খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। সর্বশেষ ১৩ নভেম্বর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে ১২ অক্টোবর হাসপাতালে ভর্তির পর ৭ নভেম্বর তিনি বাসায় ফেরেন। তখন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, খালেদা কিছুদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন।

জ্বর সেরে গেলেও শারীরিক দুর্বলতাসহ স্বাস্থ্যগত নানা জটিলতা দেখা দেওয়ায় কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২৫ অক্টোবর খালেদা জিয়ার বায়োপসি করা হয়। এ পরীক্ষার পর তাঁর চিকিৎসকেরা জানান, তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। তাঁর বায়োপসিসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা করে চিকিৎসকেরা তাঁর চিকিৎসা দিচ্ছেন। এর মধ্যেই তাঁকে আবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। ব্যক্তিগত চিকিৎসকেরা খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ড নিয়ে তিন বছর আগে কারাগারে যাওয়ার পর গত বছরের মার্চে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটলে সরকার দণ্ডের কার্যকারিতা স্থগিত করে খালেদা জিয়াকে কিছু শর্তে সাময়িক মুক্তি দেয়। এরপর গত বছর সেপ্টেম্বরে এবং চলতি বছরের মার্চে আরও দুই দফায় ছয় মাস করে বাড়ানো হয় সাজা স্থগিতের মেয়াদ। এ নিয়ে মোট ৩ দফায় ১৮ মাস সেই মেয়াদ বাড়ানো হয়। শর্ত অনুযায়ী, মুক্ত থাকার সময়ে খালেদা জিয়াকে ঢাকায় নিজের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হবে। তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না। ৭৬ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন