বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্পিকার বলেন, ‘কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে সরকার। সারা দেশের মানুষকে কোভিড-১৯ টিকার আওতায় নিয়ে আসতে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার। কোভিডকালীন অর্থনীতিতে বৈশ্বিক মন্দা বিরাজ করলেও বাংলাদেশে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের দৈনন্দিন জীবন স্বাভাবিক রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সময়োপযোগী কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন।’

মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিরুজিমাথ সামির বাংলাদেশের সঙ্গে সুদৃঢ় কূটনৈতিক সুসম্পর্কের ধারাবাহিকতা স্মরণ করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের অতিথিপরায়ণ আচরণ এবং এ দেশের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সত্যি উল্লেখযোগ্য। কোভিড মহামারির মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালিত হয়েছে যা প্রশংসনীয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ পূর্ব আঞ্চলিক অফিসের আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশের প্রার্থীকে সমর্থন প্রদান করায় মালদ্বীপ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্পিকার বলেন, পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অগ্রগায়ন ও সুসংহতকরণ সম্ভব। মালদ্বীপের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের শ্রমিকেরা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে চলেছে।

এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে মালদ্বীপের ধারাবাহিক সহযোগিতা কামনা করেন। পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন হাইকমিশনার।

এ সময় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন