বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আসাম থেকে এ দেশে এসে ভাসানী ঐতিহাসিক রাজনৈতিক মুহূর্ত তৈরি করেছিলেন। আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা করে তিনি দেশে বিরোধী দলের জন্ম দিয়েছেন। এ দেশে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে ন্যাপ প্রতিষ্ঠা করে মুক্তির কথা ভেবেছেন। নতুন সমাজ প্রতিষ্ঠা করার কথা ভেবেছেন। তিনি চাননি শুধু ক্ষমতা হস্তান্তর। রাজনীতিতে দেশের কৃষক, মৎস্যজীবী, শ্রমিকদের সংগঠিত করেছেন তিনি।

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ভাসানী মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করেছেন। অন্য রাজনৈতিক দল যাঁদের তুলে আনতে চায়নি, তিনি তাঁদের তুলে আনার জন্যই কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, মুক্তির জন্য গণ–অভ্যুত্থান প্রয়োজন।
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমানে আবার সংকট তৈরি হয়েছে। সামাজিক বিকাশ আন্দোলনকে এগিয়ে নিলে আমরা মুক্তির দিকে এগোতে পারব।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান আসিফ নজরুল আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘পানির ন্যায্য হিস্যা পাওয়ার জন্য মাওলানা ভাসানীই প্রথম চুক্তির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। বর্তমানে ধর্ম নিয়ে অনেকেই রাজনীতি করেন। নিজেদের ধর্ম ইসলাম নিয়ে অবমাননা করে প্রতিদিন দু-একটা কথা না বললে, অনেকের আজ পেটের ভাত হজম হয় না। কিন্তু মাওলানা ভাসানী নিজের ধর্মের মধ্যে অসাম্প্রদায়িকতা প্রচার করেছেন।’

ভাসানীকে অপ্রাসঙ্গিক করা হয়েছে উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, ‘একজনকে বড় করে উপস্থাপন করতে সবকিছু মুছে ফেলা হচ্ছে। এ থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।’

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেন, কীভাবে ক্ষমতার ব্যবহার করতে হয়, তা ভাসানী থেকে শেখা যায়।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন