জামায়াতের সেক্রেটারিসহ পাঁচ নেতা আবার রিমান্ডে

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ দলের পাঁচ নেতাকে আরও দুদিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। পুলিশের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত গতকাল রোববার এ আদেশ দেন।

নতুন করে রিমান্ডে নেওয়া বাকি চারজন হলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী পরিষদের সদস্য ইজ্জত উল্লাহ, মোবারক হোসেন এবং ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত। আর দলের আরেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ এবং নির্বাহী পরিষদের সদস্য আবদুর রবকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

চার দিনের রিমান্ড শেষে গতকাল জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ ৯ নেতা–কর্মীকে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে ভাটারা থানার পুলিশ।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এই মামলায় জামায়াতের দুজন কর্মী আদালতে গতকাল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাঁরা হলেন মনিরুল ইসলাম ও আবুল কালাম। প্রথম আলোকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ ও তথ্য বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) রনপ কুমার।

এর আগে গত শুক্রবার এই মামলায় নতুন করে গ্রেপ্তার করা হয় জামায়াতের নায়েবে আমির ও সাবেক সাংসদ আ ন ম শামসুল ইসলামসহ দুজনকে। তাঁদের গত শুক্রবার থেকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুর রাজ্জাক প্রথম আলোকে বলেন, ভাটারা থানার মামলায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা আদালতে বলেছেন, রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার জন্য এই মামলা করা হয়েছে। তবে মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অবৈধ পন্থায় সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ আনা হয়েছে।