বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হল সংসদের সাবেক ভিপি হোসাইন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতি হওয়া সত্ত্বেও বারবার ধর্মনিরপেক্ষতার ওপর আঘাত এসেছে। দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ থেকে জঙ্গি নির্মূল হলেও তাদের প্রেতাত্মারা এখনো রয়ে গেছে। তারা উসকানি দিয়ে দেশে অপ্রীতিকর অবস্থার সৃষ্টি করতে চায়। সুনামগঞ্জের শাল্লায় সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত।

হোসাইন আহমেদ আরও বলেন, ‘কোনো অদৃশ্য শক্তির চাপে হয়তো ঝুমন দাশকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না। অবিলম্বে তাঁকে মুক্তি না দেওয়া হলে আমরা আবারও রাজপথে নামব। ধর্মীয় উগ্রবাদকে আমরা লাল কার্ড দেখাব।’

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর সাবেক সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সুনামগঞ্জের শাল্লায় যারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িতে আগুন লাগিয়েছিল, তাদের বিচার হয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন রাখছি। সংখ্যালঘুদের ওপর হামলাকারীদের বিচার হচ্ছে না, অথচ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পোস্ট দেওয়ায় ঝুমন দাশকে কারাবরণ করতে হচ্ছে। এটি দুঃখজনক।’

বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও হল সংসদের সাবেক এজিএস আবু ইউনূস বলেন, ‘ধর্ম অবমাননার সুস্পষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে হবে। আমরা ঝুমন দাশের মুক্তি চাই৷’

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাহিত্য সম্পাদক এস এম রাকিব সিরাজীর সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি কামাল উদ্দিন, একই হলের সাবেক ভিপি সাইফুল্লাহ আব্বাসী, মাস্টারদা সূর্যসেন হল সংসদের সাবেক জিএস সিয়াম রহমান, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল সংসদের সাবেক জিএস মেহেদী হাসান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন