বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মুজিবুল হক বলেন, গত বৃহস্পতিবার ডিজেলের দাম বাড়ানো হয়। এতে পরিবহনগুলো ধর্মঘটে চলে গেল। শুক্রবার বিভিন্ন পরীক্ষা ছিল। ধর্মঘটের কারণে পরীক্ষার্থীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। শুক্র ও শনিবার মানুষ দুর্ভোগে ছিল। ডিজেলের দাম বাড়ার পর বাসভাড়া ২৭ শতাংশ, নৌযান ভাড়া ৩৭ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে, যা তেলের মূল্যবৃদ্ধির তুলনায় অনেক বেশি। তিনি প্রশ্ন রাখেন, এখানে সমন্বয় নেই কেন?

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম কমছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে মুজিবুল হক বলেন, ‘দেশের মানুষ তেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, আল্লাহর ওয়াস্তে আপনি হয় তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার, না হয় বিকল্প কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। মানুষকে বিপজ্জনক অবস্থা থেকে মুক্তি দিন।’

মুজিবুল হক আরও বলেন, আগে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার কারণে পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ৭৫ হাজার কোটি টাকা লাভ করেছে। বর্তমান সরকার যেহেতু নির্বাচিত সরকার, জনগণের কথা চিন্তা করে কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে এই মূল্যবৃদ্ধি না করে কি বিকল্প ব্যবস্থা করা যেত না? এমনিতেই বাজার নিয়ন্ত্রণে নেই। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে তেলের কারণে আরও অন্যান্য পণ্যের মূল্য আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জাতীয় পার্টির আরেক সাংসদ রুস্তম আলী ফরাজী বলেন, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষকে চরমভাবে আঘাত করেছে। পরিবহনের ব্যয় বেড়ে গেছে, দ্রব্যমূল্যও বেড়ে গেছে। প্রতিবেশী দেশ স্পর্শকাতর এই জ্বালানির মূল্য না বাড়িয়ে ঠিক রেখেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে যখন তেলের দাম কমে যায়, তখন দেশে দাম কমানো হয় না।
রুস্তম আলী বলেন, বৃদ্ধির পরিমাণ অনেক বেশি হয়ে গেছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিপরিষদের নতুন করে চিন্তা করা উচিত। জনস্বার্থে এটা পুনর্বিবেচনা করতে হবে। হয় মূল্য কমাতে হবে, না হয় ভর্তুকির ব্যবস্থা করতে হবে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন