বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে আল আমীন সিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে গিয়ে ধাক্কাধাক্কির মধ্যে ওয়ালিউল্লাহ রাশু কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি ফরিদা পারভীনের গায়ের ওপর গিয়ে পড়েন। ফরিদা তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন, তাঁরাও তাঁকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর তিনি মধুর ক্যানটিনে এসে সনজিত চন্দ্র দাসের কাছে বিচার দেন।

ধানমন্ডি থেকে ফিরেই সনজিত চন্দ্র দাসের ওই আচরণের মুখোমুখি হন বলে জানান আল আমীন সিদ্দিক। তিনি বলেন, ‘সনজিত আমাকে ডেকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ সময় তিনি আমাকে থাপ্পড় দেওয়ার হুমকিও দেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি কীভাবে রাজনীতি করি, তা তিনি দেখে নেবেন। আমি রাশুকে কোনো থাপ্পড় দিইনি, শুধু সরিয়ে দিয়েছিলাম।’

কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ফরিদা পারভীনও বলছেন, ধানমন্ডিতে কোনো থাপ্পড় বা মারামারির ঘটনা ঘটেনি। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন উপলক্ষে ধানমন্ডিতে বেশ ভিড় ছিল। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁরা যখন ফিরছিলাম, তখন ওয়ালিউল্লাহ রাশু তাঁর বাঁ পাশে ছিলেন৷ তাঁর পেছনেও নেতা-কর্মীদের বেশ চাপ ছিল।

ফরিদা পারভীন জানান, একপর্যায়ে তিনি বেরিয়ে যাওয়ার জন্য ওয়ালিউল্লাহ রাশুকে জায়গা করে দিতে বলেন। তিনি বলেন, ‘এ সময় পাশেই থাকা আল আমীন সিদ্দিকসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের কেউ কেউ রাশুকে সাইড দিতে বলেন এবং হাত দিয়ে তাঁকে কিছুটা সরিয়ে দেন। তখন রাশু বলেন, পেছন থেকে চাপ থাকায় তিনি সরতে পারছেন না। তখন আল আমীন সিদ্দিকসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা কথা প্রসঙ্গে রাশুকে বলেন, “তোরা আপাকে চিনিস না, সাইড দিবি না?” এটুকুই ঘটনা।’

যাঁকে থাপ্পড় দেওয়ার অভিযোগে এই গালিগালাজ ও হুমকি, সেই নেতা ওয়ালিউল্লাহ রাশুর মুঠোফোনে ফোন করে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে জানতে সনজিত চন্দ্র দাসের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বক্তব্য জানতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের মুঠোফোনেও ফোন করা হয়। তাঁরাও ফোন ধরেননি।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন