তজুমদ্দিনে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর শঙ্কা

বিজ্ঞাপন
default-image

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাচনে ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশারেফ হোসেন দুলাল নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর একাধিক চিঠি দিয়েছেন। করেছেন সংবাদ সম্মেলনও। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে তিনি তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

৩১ মার্চ ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী দুজন। একজন আওয়ামী লীগের ফজলুল হক দেওয়ান (নৌকা); অন্যজন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশারেফ হোসেন দুলাল (আনারস)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩ জন এবং পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ৬ জন।

ভোটের প্রচার-প্রচারণাকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা আছে। দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা ১৬ মার্চ রাত থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কমপক্ষে সাতবার মুখোমুখি হয়েছেন। দুই পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশারেফ হোসেন ২১ ও ২৫ মার্চ নির্বাচন কমিশন বরাবর দুটি পৃথক আবেদনে তজুমদ্দিন থানার ওসি ফারুক আহমেদের প্রত্যাহার চেয়েছেন। বলেছেন, তিনি নিরপেক্ষ নন। তিনি নৌকার প্রার্থীর পক্ষের লোক। ২১ মার্চের আরেক আবেদনে স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ৫টি, সম্ভুপুর ইউনিয়নের ৬টি ও চাচড়া ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ দাবি করে এসব কেন্দ্রের প্রতিটিতে একজন করে নির্বাহী হাকিমসহ পর্যাপ্ত আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য নিয়োগের দাবি করেছেন। তিনি তাঁর কর্মী-সমর্থকদের নিরাপত্তা চেয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকে দেওয়া চিঠিতে মোশারেফ হোসেন দাবি করেন, প্রচার-প্রাচরণা শুরুর পর থেকে তাঁর কর্মী-সমর্থকদের আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কর্মীরা মারধর এবং হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফজলুল হক দেওয়ান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁর লোকজন কখনো আগবাড়িয়ে হামলা করেনি। নির্বাচনী কার্যালয়ও ভাঙচুর করেনি।

তজুমদ্দিন থানার ওসি মো. ফারুক আহমেদ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কারও পক্ষ নেননি।

তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শফিকুর রহমান বলেন, শতভাগ নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি তাঁদের আছে।

জানতে চাইলে ভোলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক বলেন, কঠোর নির্দেশ আছে ভোট নিরপেক্ষ, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হতে হবে। কোনো রকমের অনিয়ম সহ্য করা হবে না।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন