জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হওয়ার কারণে রাজনীতিতে সৎ ও নীতিবান মানুষ ভালো করছে না। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি পেশিশক্তি ও টাকার প্রভাবে নির্বাচনব্যবস্থা নষ্ট করে দিয়েছে।

সাধারণ মানুষ অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে দাবি করে জি এম কাদের বলেন, দুঃখের বিষয় হচ্ছে, সরকার এ বাস্তবতা অস্বীকার করছে। দ্রব্যমূল্য বেড়ে গেছে, পাশাপাশি মানুষের আয় কমে গেছে। ফলে ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে সাধারণ মানুষের। এমন বাস্তবতা মোকাবিলায় সব রাজনৈতিক দলের সহায়তায় করণীয় ঠিক করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এ জন্য সরকারকেই উদ্যোগী হয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে ডাকতে হবে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘দেশের আমদানি ব্যয় বেড়েছে ১০০ বিলিয়ন ডলার। যা কখনো ৬০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল না। তাই ৪০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় বাড়ার কারণে আমাদের রিজার্ভ কমতে থাকবে। এভাবে রিজার্ভ কমতে থাকলে শ্রীলঙ্কার মতো দেউলিয়া হতে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতি। বৈদেশিক ঋণের ওপর ভিত্তি করে অনেকগুলো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। সব মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা জরুরি ছিল বলে মনে হয় না। ঋণের বোঝার কারণেও আমাদের রিজার্ভ কমে যেতে পারে।’

জাতীয় ছাত্রসমাজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহ ইমরানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আল মামুনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন জাপার পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক, প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া প্রমুখ ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন