বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে বিদেশের উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সব গণতান্ত্রিক দেশে যেমন ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, কন্টিনেন্টাল ইউরোপ এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও চলতি সরকার পদত্যাগ করে আরেকটি সরকার আসে না। সেভাবেই বর্তমান সরকার দেশ পরিচালনায় থাকতেই নির্বাচন হবে।

বিএনপিকে আগাম নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি ২০১৪ সালে নির্বাচন প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিল, পারেনি। গণতন্ত্রের অভিযাত্রা অব্যাহত ছিল। ২০১৮ সালেও এ ধরনের কথা বলেছিল, পরে নির্বাচনী ট্রেনের পাদানিতে চড়ে নির্বাচনে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। সব দলের জোট করে নির্বাচন করেছে, ফলাফল মাত্র পাঁচটি আসন। সুতরাং তাদের বলব, অনর্থক বাগাড়ম্বর না করে আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিন।’

বিএনপির সরকার পতনের আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের নামে তারা যদি বিশৃঙ্খলা করে, জনগণকে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে।

বিএনপির সভা-সমাবেশের অনুমতি মিলছে না—এমন অভিযোগ খণ্ডন করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা অনেক সময়ই সভা-সমাবেশের অনুমতি নেয় না। আর সভা-সমাবেশে তারা নিজেদের মধ্যেই মারামারি-ভাঙচুর করে। এতে জনগণ আতঙ্কিত হয়, আর জনগণ আতঙ্কিত হলে সরকার তো বসে থাকতে পারে না।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পরে কীটতত্ত্ব সমিতির সম্মেলনে বক্তৃতা দেন হাছান মাহমুদ। কৃষিজমি রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, যত্রতত্র ইমারত নির্মাণের ফলে যেন কৃষিজমি নষ্ট না হয়। কৃষিক্ষেত্রে গবেষণা শস্য উৎপাদনকে বহুগুণ বৃদ্ধি করেছে। উন্নয়নের পথে এ ধারা অব্যাহত থাকা আবশ্যক।

কীটতত্ত্ব সমিতির সভাপতি সৈয়দ নূরুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমানের পরিচালনায় কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা দেন।

কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নির্মল কুমার দত্ত ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. আবদুল লতিফ কারিগরি প্রবন্ধ এবং কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক দেবাশীষ সরকার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন