বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তথ্যমন্ত্রী কিছুদিন তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বলেন, ‘আমি দেখেছি, তিনি নিজের ঘরে জন্মদিন পালন করেন না। কেক কাটেন না। কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করলে তাতে যেতে চান না। তাই তাঁকে না জানিয়েই আমরা দলের পক্ষ থেকে তাঁর জন্মদিন পালন করি।’

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক সংগ্রামী উপাখ্যানের নাম, এক জীবন্ত কিংবদন্তির নাম। তিনি বলেন, ‘তাঁর নেতৃত্বেই দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং অর্থনৈতিক মুক্তি ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার পথে আমরা বহুদূর এগিয়ে গেছি। তাঁর নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে মর্যাদাপূর্ণ একটি রাষ্ট্র।’

এবারের জন্মদিনটি তাৎপর্যপূর্ণ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের দিনে প্রার্থনা করি, যেন আমরা তাঁর শততম জন্মদিন পালন করতে পারি এবং ওই দিন পর্যন্ত যেন আমি বেঁচে থাকি।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন ছোটবেলা থেকে সংগ্রামী উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর ছোটবেলায় বঙ্গবন্ধু বেশির ভাগ সময় ছিলেন জেলে। যে কারণে সব সময় তিনি বাবাকে কাছে পাননি। তাঁর বিয়ের সময় বঙ্গবন্ধু ছিলেন জেলে। সন্তান হওয়ার সময় ফাঁসির মঞ্চে। রাজনীতির কারণে বাবাকে তিনি ও তাঁর অন্য ভাই-বোনেরাও সেভাবে কাছে পাননি।

শেখ হাসিনাকে গণতন্ত্রের মানসকন্যা অভিহিত করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘তাঁর নেতৃত্বে দেশে ৪০ শতাংশ থেকে দারিদ্র্য ২০ শতাংশে নেমেছে। দেশ বদলে গেছে, আকাশ থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম চেনা যায় না। এটা কোনো জাদুর কারণে নয়, এটা শেখ হাসিনার জাদুকরি নেতৃত্বের কারণে বদলেছে। আমাদের কামনা, তিনি এইভাবে নেতৃত্ব দিয়ে যান এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন যাতে বাস্তবায়ন করতে পারেন।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্যসচিব মো. মকবুল হোসেন বলেন, ‘এবারও আমরা প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালনের উদ্যোগ নিয়েছি। সংবাদপত্র, বিটিভি, বেতারের আয়োজনসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী মোট ১৪টি অনুষ্ঠান হবে।’

মো. মকবুল হোসেন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশের মানুষ নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়েছিল, কিন্তু ১৯৮১ সালে প্রধানমন্ত্রী ফিরে এসে দলের সভাপতি হওয়ার পর সে শূন্যতা পূরণ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই আজ বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ বিশেষ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন